তী্লীরামকৃষ্*লীলামুত

আত্ীরামক্ৃষ্-লীলাম্ত

বৈকুগ্ঠনাথ সান্নাল

প্রথম প্রকাশ মকর সংক্লাত | ১৩৪৩

প্রকাশক " প্রসূন বসু নবপন্র প্রকাশন পট[য়াটোলা লেন | কাঁলকাতা-৭০০ ০০৯

মুদ্রক : প্রপন বস নিউ এজ 'প্রপ্টার্স &৯ পট,য়াটোলা লেন | কাঁলকাতা-৭০০ ০০৯

প্রচ্ছদ : সোমনাথ ঘোষ

কুঁড়ি টাকা

তূমিক! রসো বৈ সঃ! সাঁঈদানন্দে যে কত রস বিদ্যমান, তার ইতি করা যায় না। আকাশ প্রাণরস স্পন্দন সংক্ষা, স্থল, .কঠিন, তরল বায়ব স্ট্যাদ বাপার যেন ভোঁকি। যাঁরা নিত্য ভাগীরথী সেবা ক'রে থাকেন, হয় তো দেখিয়াছেন-বর্ধাগমে কোথায় কিছু নাই, অকম্মাং জাহবী-জীবন কাঁকড়া পোকায় পূর্ণ; এত আধিক যে অনুমানের অতাঁত! সে

সময় দ্নান-পানে দারুণ অদ্বাপ্ত। আবার তিন চার দিন পরে কোথায় কিছ; নাই ! বি্ব- সৃন্টি-ঠক এরুপ!

আবার জল-রসের আশ্চর্য মহিমা ! একই মেঘ-বারিতে বিভিন্ন বাঁজ, কন্দ, মূল, ফল ফুল কিরুপে শ্বেত-পীতাঁদ বিচিত্র বর্ণে শোভা পায়, খজ:-বক্রাদ আকার ধারণ করে। আর তিন্ত কষায় সিম্টাদ স্বাদযন্ত হয়, এবং "স্নিগ্ধ, মধুর উগ্র গন্ধ হয়, ভাবলে জ্ঞান থাকে না! পূনঃ প্রাণিপয)য়ি আকার-প্রকার-ভেদে অন্তরে যুগপং হিংসা-প্রীতি, কাম- শান্ত প্রভৃতি সম বিষম রসের প্রকাশ, রহসো দিশাহারা হ'তে হয়!

ঠাকুর যে কি, বলা-বোবার স্বপ্ন-দেখার মতো ভন্ত-কল্যাণ-কামনায় প্রত গান্তী্য;, জ্ঞান, ভক্তি, প্রেম, আবার হাস্যকৌতুকাদি কত যে রসের অবতারণা কাঁরতেন-ভাবতে গেলে খেই হারিয়ে যায়। শিবমাহন্ন গুবে ভন্ত পূঙ্পদন্ত গাহিয়াছেন-এমন তত্ব নাই, প্রভো, যাহা তুমি নও। ঠাকুর আমার ঠিক তঅই। কর.ণাপুরঃসর কহিতেন_অননগত, অল্পবাাদ্ধ তোরা, কি ক'রে সেই অখণ্ড সচ্চিদানন্দের ধারণা করাব ? আমাতে প্রাণ ঢেলে দে, সবাথ সিদ্ধি হবে।

ভন্তসঙ্গবরত দেখে আমায় একদিন বলেন-বেশ ! আমাকে নিয়েই থাক | যেমন নন্দরাণী গোপাঁদের উপর অভিমান ক'রে বলোছিলেন-বে'চে থাক: আমার চড়া-বাঁশী, কতশত মিলবে দাসী। সেই অবাধ গ্রভৃই আমার সম্বল। প্রার্থনা-সকলেরই সমবল হউন।

প্রথম সংকরণে বসূমতাঁর দ্বত্বধকারী কল্যাণীয় সতীশচন্দ্র অনেকগুলি চিন্রসম্পদে গ্রন্থের শোভাবর্ধন করিয়াছেন, তজ্জন্য শত শত আশাবদি।

মকর সংক্রান্তি, ১৩৪৩ সাল, ২০ নং বোসপাড়া লেন, বৈকৃণ্ঠনাথ সান্যাল বাগবাজার, কালিকাতা

সূচীপত্র

সমাস শপ বর সস পাস সস

পপির অপ সর আশ অপির সি

প্রথম পারিচ্ছেদ

প্রথম অধ্যায় অবতারণা

ধর্ম, ধর্ম'লানি, সাচ্চদানন্দের ঘনরূপ, আবিভবি কামারপুকুরে শুরা 'দ্তীয়া, দারিদ্র ব্রাহ্মণকুলে পিতৃপরিচয়

মাতৃপরিচয়, গদাধর

দ্বিতীয় অধ্যায় অবতার-তত্ত

তৃতীয় অধ্যায় বাল্যলালা

বিদ্যাজন, মেধাশক্তি, প্রকৃতি লীন, প্রকীতির শিক্ষাদান

অনুকরণ শন্তি, বহুরূপী, গীতশান্তি, ভূতসনে আনন্দ, শাস্ত্র মীমাংসা, সমাঁধ

শিক্ষা, উপনয়ন, 'ভিক্ষাগ্রহণ, তন্ময়তা

চতুর্থ অধ্যায় কলিকাতায় আগমন, দাক্ষিণে*বর ভগবতীর আ'বিভবি, অর্চকের আগমন, রাণীর নিবেদন প্রার্থনা, প্‌জাভার গ্রহণ, ব্রাহ্মণের অবনাত সংযম, পৃজকের বাসনা, রাণঈর সাধ, ভ্রাতার পাঁরিচয়, দেবালয়ে আগমন, দেবীর পুস্পবেশ

পঞ্চম অধ্যায় ভগবতীর প.জাগ্রহণ, আমাদের পূজা, ঠাকুরের পুজা পূজা-প্রশংসা, প্রকৃত পূজা, দেবালয় সুখহীন, দশ“ন-বাসনা, ব্যাকুলতা বিলাপ, মূন্নয়ীতে চিন্ময়ীর দর্শন, ভাবের পূজা, দেবী-চৈতন্য অদর্শনে রোদন, উপদেবতার আবেশ, দিব্যোন্মাদ

ষষ্ঠ অধ্যায় দেশে গমন

[ববাহ

সপ্তম অধ্যায়

দাক্ষিণেশবরে প্রত্যাগমন, সাধনা

মায়া, কামনীকাণ্ন, কাণ্ণন-বজধ, কাঁমনন-বিজয়, শরীর মন আয়ত্ত দিব্যদর্শন, মানবে অসন্তব, একাকার ধ্]ানসিদ্ধি

মহাভাব, কৃপাবাণী

£

কে নে 00 ০৩

১০ ৯৯ টে ৯১৩

১৩ ৯১৪

৯১৪ ৯১৫ ৯৬ ৯৭

[ ]

| অষ্টম অপ্যায় ভৈরবীর আগমন, ভৈরবী-মিলন ১৭

বিস্ময়, আনন্দ সংবাদ, ঠাকুরের পাঁরিচয়, ঠাকুরকে বুঝান ১৮ ভৈরবীর অভিভাষণ ১৯ বৈষবচরণের ভ্তব, ঠাকুরের ভাব, বিষম ক্ষুধা ২০ নবম অধ্যায় তন্ত্রমতে সাধন, ব্রাহ্মণশর চিন্তা, তন্রশাস্ত্ ২০ প্রকাশক, জপসাধন, ভৈরবার প্ররোচনা, মাত আদেশ-সাপেক্ষ, আয়োজন, সাধনা ২১ ঠাকুরের মহত, যোগ-বিভূতি, ভৈরবীর আকর্ষণ ২২ দশম অধ্যায় কতিপয় ঘটনা-আপ্তকাম, পণ্বটী ২২ পূজার অবসান, ভ্তবপাঠে সমাধি, অন্তযমিত্ব, আপনাকে চিনিয়াও বালক ২৩ ঠাকুরের মধ্যে মথুরের ইনম্টদর্শন ২৪ একাদশ অধ্যায় মনই গুরু. সীতারাম দর্শন, সাধু সমাগম ২৪ রামাৎ সাধু, জটাধারা, রামলালার অচরণ, জটাধারীর বিলাপ ২৫ ঠাকুরের দর্শন, আমরা অন্ধ, বাৎসল্য ভাবের পরাকান্ঠা, অসম্ভব সম্ভব ২৬ ঘার্দশ অধ্যায় প্রকৃতিভাবে সাধন, মধুর ভাব, প্রকৃতিভাবে সাধন, শ্যামদর্শন ২৭ প্রয়োদশ অধ্যায় ল্যাংটার আগমন ২৭ চিন্তা, জিজ্ঞাসা, ভৈরবীর ভয়, ভ্রম ২৮ মাতৃভান্ত, মানবের অপরাধ ২৯ চতুর্দশ অধ্যায় সন্ব্যাস বেদান্ত-সাধন ২৯ সাধনস্থান, ল/াংটার উপদেশ, গুর্দক্ষিণা ৩০ অহং নাশ, আঁকণনতা, ধ্যানাবাঁধ, সমাধি, অদ্বৈতবাদ, ধ্যান সমাধি বিচার ৩১ ল্যাংটার আনন্দ, 'বিচার ৩২ সমাধি 'বিচার, তুলনা ৩৩ পঞ্চদশ অধ্যায় ল্যাংটার আচরণ, পাঁরচয়, পূজারী মোহিত, প্রাণত্যাগ ৩৪

জাহবীতে জলাভাব, ল্যাংটাকে জ্ঞানদান, ঠাকুর জগৎগণরূ, ভৈরবার পাঁরচয় ৩৫

[ ]

ষোড়শ অধ্যায় দিব্য দর্শন রন্তনিঃসরণ, মহাপুরুষের আগমন, ইসলাম ধর্ম সাধন খরখস্টধর্ম, বৌদ্ধধর্ম

সপ্তদশ অধ্যায়

তদর্থ যাল্লা, ভন্তবাঞ্থশ পূরণ, রেলপথ, সমবেদনা, কাশী দর্শনে বিলাপ দিবদর্শন, শাম্ত্রবাক্য সপ্রমাণ, বিশ্বনাথ দর্শন, অন্পপূর্ণট কেদারনাথ দুগামাতা, মাঁণকাঁণকা, বারাণসী-মাহাত্ম্য, বেণীমাধব, ঠাকুরের আনন্দ, ত্রিলঙ্গস্বামণী

অবসপারে, প্রয়াগ, মমতা-নাশে মথ্‌রা গমন, বৃন্দাবন, বষণা-গঙ্গামাতা মথুর, কলপতরু, গয়াধাম, 54"

অষ্টাদশ অধ্যায়

বিয়োগপর্ব-_ অক্ষয়, মথুরানাথ, মধ্যম ভাতা মাতা

উনবিংশ অধ্যায়

শ্রীমার মনঃকম্ট, ঠাকুর দর্শনে শ্রীমার দক্ষিণেশবরে যাত্রা, শ্যামা দন ডাকাতের আগমন, মহামায়ার খেলা, শিবদুগরি মিলন, নিত্যসম্বন্ধ, দসয-পাঁরিচয় মাতৃদেবীর সাধনা, আত্মসাঁ“বং, ষোড়শনপূজা

বিংশ অধ্যায় ধর্নসম্মিলন ঠাকুর জগংগুরু শ্রীগ্ীঠাকুরের উপদেশ, উপাসনা-পদ্ধাতি, বন্তুতা ভন্তমযদা, গৌরী পণ্ডিত, পদ্মলোচন বেদান্তবাগনীশ তকরত্র, অবাধ দর্শন, ঘন্ত্রদবরূপ, আমাদের ধস্টতা, গুণনীর গ্ণমযাদা

একবিংশ অধ্যায়

মহাঁষ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রহ্মানন্দ কেশবচন্দ্র, বিদ্যাসাগর ভগবানদাস বাবাজী, শশধর তকণ্চ্‌ড়ামাণ

গৃহ্ছের কল্যাণ দিবতশয় পরিচ্ছেদ প্রথম অধ্যায় ঠাকুরের রূপ-মাধুরী বালকভাব আহার

৩৫ ৩৬ ৩৭

৩৮ ৩০১

80 ৪১ ৪২

৪৩ ৪৪

৪&

৪৬ ৪৭

৪৭ ৪৮ ৪৯

&0

৫৯ &৩

৬৬

[ ৯]

দ্বিতীয় অধ্যায়

আচরণ-সত্য-সঙ্কল্প আচার পালন ভন্তকে কৃতার্থকরণ, সণ্য়ে যাতনা, গৃহস্ের অথে" মমতা

তৃতীয় অধ্যায় শরীরের যত্র, জগত্জননীর সন্তান, নিরাঁভমান, ভাবে মাতোয়ারা

চতুর্থ অধ্যায় সান্ধ্-প্রণাম, শবরীর উপাখ্যান তম্মিন তৃপ্তে জগৎ তৃপ্ত

পঞ্চম অধ্যায় ভাব বুীঁকতে অক্ষম, অহেতুক দয়াঁসন্ধু, আত্মারাম প্রলোভন বিজয় সকলই রাম, গঙ্গাভন্তি, ভক্তের সন্তাপহরণ

ষষ্ঠ অধ্যায়

জন্মোৎসব

সপ্তম অধ্যায় নূতনের সবই নুতন, রামকৃষ্ণ মিশন, সমদৃষ্টি ভুবনমোহন, চৈতন/ শরাঁর, পর্ব তপ্রমাণ গ্রন্থ, আশ্রিত-পালক নামনামী অভেদ বকলমা, সর্বময়, চৈতন্যতত্ব, যুগলতত্ত করুণা বিতরণ

অষ্টম অধ্যায় শিক্ষা বিভ্রাট, ঠাকুরের শিক্ষাদান, উপমা (১), রাসলীলা উপমা (২), ভগবান দয়াময়, উপমা (৩), উপমা (৪)

নবম অধ্যায় নব্যদের মোহনাশ, মযক্তিলাভ, অভয়বাণী, ভাবপরাক্ষা ঠাকুর কিঃ সংশয় নিরসন নিত)লশলা, সমতাদান

দশম অধ্যায় দণ্ডে দণ্ডে মানুষ মরে বাঁচে, ভাবসাগব নব্যগণ, আঁভনয়, বেদান্ত কতভিজা মত

একাদশ অধ্যায় - জগদ্গুরু-উপদেশামৃত

গর*বাদ মন্ত্রদীক্ষা, ভারগ্রহণ, গুরুই দেবতা, গুরুভা্তি ' -ঈশবরতত্ত ব্রহ্মতত্ব, তত্বকথা

৫৭ ৫৮ ৫৯

৬০

৬৯ ৬*

৬৩ ৬৩ ৬৪

৬৯ ৭০ ৭৭ ৭7৩

৭৩ 9৪

৭৫ ৭৬ ৭৭

৭৮ ৭০) ৮০

৮০ ৮১ ৮৭

[ ১০ ]

জ্ঞান, ভন্তি, কর্ম অদ্বৈতজ্ঞান মত না পথ, উদারতা, সাধূসঙ্গ, একদেশীভাব, ভগবানে চিত্তসমপর্ণ,

আত্মবিশ্বাস

ঈশ সহ সম্বন্ধ, তাহাতে অনুরাগ, ধ্যান, উপাসনা, নিষ্ঠা

দ্বৈতাদ্বৈত ভাব, অনাসন্তি, ভন্তসংসার, সন্নাসসংসার সন্যাসের প্রতেদ আসন্তি, অ।মিত্ব, মুক্তি, সত্যাশ্রয়, শুদ্ধবৃদ্ধি, নিভরতা

দান, নারদীয় ভন্তি, শান্তচিত্তে ভগবদবিকাশ, অহওকার, বিপু নয় মিল্র কঁিযুগ শ্রেষ্ঠ, ভগবংলীলা দুবেধ্য, ইন্টত্যাগে ব্যনিচার

গীতা ততনয় পারিচ্ছেদ প্রথম অধ্যায়

যুবকগণের লন্াত-সাধন, চি“ড়ার মহোৎসব, ঠাকুরের গমন ভক্তের মনস্তুষ্টি, রন্তনিঃসরণ, ভন্তগণ উদ্বিগ্ন, কেল্লাতে আগমন

চিকিৎসা দ্বিতীয় অধ্যায় নিত্যগোপালকে কৃপা স্থানান্তর গমনেচ্ছা তৃতীর অধ্যায়

শ্যামপুকুরের বাড়৭, সেবকগণ মাতৃদেবীর-মহাত্মা, ডান্তার সরকার, নন্দন বিজ্ঞান করুণা প্রকাশ, সরকারের দর্প চূর্ণ

চতুর্থ অধ্যায় শরৎকাল, দুগাপজা, বাঙ্গালীর জাতীয় উৎসব, ভাবাবেশে পূজাগ্রহণ শ্রীকালী, রামকৃষণ-কালী, স্থান-পাঁরবর্তন

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

প্রথম অধ্যায় কাশপুর, সেবানষ্ঠান, আপন ব্যবদ্থা আপনি কাঁরিলেন ভন্তদের আনন্দ, যবকগণের মনোভাব, সাধনস্পৃহা, সেবাই শ্রেষ্ঠ সাধন ধু প্রজবলন, বাসনাদগ্ধ, নরেন্দ্রনাথের উাকল হবার ইচ্ছা, অতুলের

অনুযোগ, নরেন্দ্রের গ্হত্যাগ ঈশ্বরকোট, ধর্মপ্রচার ভার, সেবকগণ হাজার, ভিক্ষামাহমা

নরেন্দ্রুকে রামনাম দান, রোগের অবতারণা

৮৩

৮৪ ৮৫ ৮৬ ৮৭ ৮৮ ৮৯ ১০

৭১৯ ৯২ ৯৩

৯৩ ০১৪

৭১৪ ৪১৫ ৯১৬

০১৭

৯১০১ ১০০

১০১ ১০২ ১০৩

[ ১১]

দ্বিতীয় অধ্যায় আশবাণী-“চৈতন্য হউক' কজ্পতরু, সবময় দর্শন

তৃতীয় অধ্যায়

নরেন্দ্রের বৈরাগ্য,, ঠাকুরের আক্ষেপ, নরেন্দ্রের অহমিকা নাশ, সাধনোপদেশ

ঠাকুরের আনন্দ, নরেন্দ্রের কু'্ডল ধারণ, সাধনে সিদ্ধ, নাবকজ্প সমাধি উহার প্রশংসা, প্রভুর মহিমা, ভন্তকে রক্ষা উন্নতের পতন হয়

চতুর্থ অধ্যায় সাহেব ডান্তার দেখান, ডান্তার সাহেবের 'বিদ্ময় চিকিৎসক অন্বেষণ ডান্তার রাজেন্দ্র দত্ত

পঞ্চম অধ্যায় কুমারগণের অভিষেক, শঙ্কা সমাধান ঘাত-প্রতিঘাত, বসন্তোৎসব প্রভুর কৃপা দর্শন, মানবের কর্তৃত্ব স্বভাব, ভন্তসঙ্গে কোতুক

ষষ্ঠ অধ্যায় বাঁধ বিমুখ, প্রভূর সত্তাগ্রহণ, নিজ মহিমায় বিদ্যমান, সাগর পারে শ্বেতকায় ভন্ত, ভন্তদের প্রার্থনা, প্রবোধ দান, আনন্দবিকাশ, প্রাণাধক নরেন্দ্রের রাধা-দর্শন, সাঁচ্চদানন্দ মাহাত্ম্য রক্তদান, পরাভাস্ত

পণ্টম পারিচ্ছেদ

পগ্রধম অধ্যায় ক্রহ্গজ্ঞান, নরেন্দ্রকে দান, ঈ*বরতত্ত উদয়ান্ত, শ্রাবণের শেষ দিন, শহুদ্রকে শয্যাত্যাগে অনুজ্ঞা, অন্নবিচার বর্ণণবচার, খিচুড়ি খাই [খিচুড়ি রহস্), বালকৃষণ খেলা,

দ্বিতীয় অধ্যায় হাটে হড়িভাঙা- মহাপ্রয়াণ সমাধি ভঙ্গ আশা, জ্যোতিম'য়, রূপ, কেন এত আনন্দ, সন্তানদের মনোভাব আশ্চর্য ঘটনা, লীলাকাল, সন্তানদের পুজা আশা, বাতাস বাতবিহ মহাসমাধি মাতৃদেব

তৃতীয় অধ্যায় ভন্তসমাবেশ, ভারবহন, দেবগণের পূজা, গঙ্গাতীরে ঘটনা *মশান, মহাযজ্ঞ, ভূষণের 'নিষ্টা, আস্ছিসণয় পাঁরতাপ, সন্তানদের মনোভাব্‌, নরেন্দ্রনাথের সাধ, যোগোদ্যান, 'দিব্যাস্থি

১০৩ ১০৪

১০৫ ৯০৬ ৯০৭ ১০৮

৯১০৮ ৯০০১

৯০০১ ১৯০ ৯১১৯

৯১৯২ ১৯১৯৩ ১১৪ ৯৯

৯১৯৬ ৯১৭ ১৯৮ ১০১০১

১৯৪১

১২০

৯১২২১ ৯৭৭

৯২২ ৯২৩ ৯৭২৪

| ১২ ]

গ্ান-মাহাত্ময, হীনপ্রভ, নিধি অপহৃত, আমাদের অধোর্গতি ঠাকুরের গান

পরিশিষ্ট (১) ধর্মমীমাংসা রামকৃষ্ণ দর্শন স্বামীঁজী কৃত পারশিষ্ট (২) বরাহনগর মিলন-মন্দির উৎসব

পারাশন্ট (৩)]| সন্তননিচারত নরেন্দ্রনাথ রাখালচন্দ্ বাবুরাম যোগাীন্দ্রনাথ, নিত্য, নিরঞ্জন সারদাপ্রসন্ন তারক দাদা গঙ্গাধর, হ'রিপ্রসন কালী, লাটু শশিভুষণ হাঁরনাথ গোপালদাদা খোকা, বিজয় গোস্বামী, নাগ মহাশয় হুটকো গোপাল, হরিশদাদা, তারক, পল্টু রামদাদা, কালীপদ ঘোষ, ছুনিবাবু, ছোট নরেন, নারায়ণ, হাঁরপদ, তেজচন্দ্রু, পদ্মবিনোদ ভবনাথ, পূর্ণ যোগীন সেন, মান্ট।র মহাশয়, অক্ষয় মান্টার মজুমদার, দেবেন্্রনাথ, অধরলাল সেন সরেন্দ্রনাথ মিত্র ভাই ভূপাঁতি, কিশোর ধীরু সুরেশ, শাশভুষণ, ডান্ডারের দল, দমদম. হাজরা ৫০1৫৩ মাঁণলাল মাল্পক, 'গাঁরিশচন্দ্র ঘোষ উপেন্দ্রনাথ, ব্যাংবাবু তুলসী, বলরাম বসু জায়া ঈশানচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, যোগেন মা, তনয়া কৃষ্ময়ী, বলরামের *বশ্রুমাতা গোপাল মা, গোপালের মা গোরমা, রামলালদাদা, শরচ্ন্দ্ আমার পারিচয়

৯২৫ ৯৬

৯৩৭

৯৪০ ৯৪৭

১৫০ ৯৫৮ ৯৬২ ১৬৪ ৯১৬৫ ১৬৬ ১৬৭ ১৬৮ ১৬৭) ১৭১৯ ১৭৭ ৯৭৩ ১৭৪

৯৭ ৯৭৬ ৯৭৭ ১৭৮ ১৭০১ ৯১৮০ ৯১৮১৯ ৯৮৭ ৯৮ ১৮৬ ১৮০১

৯০১৯ ১৯৭ ১৯৩

অন:শীলন প্রথম পরিচ্ছেদ প্রথম অধ্যায়__অবতারণ। ' ধর্ম

ভগবদংশ্‌ মানবকে যান তৎসকাশে মিলিত করিয়া দেন, তাঁহার নাম ধর্ম। দেশ, কাল, পান্ন, তাহাদের পারিপাশ্র্বিক অবস্থা এবং ধারণাশন্তি অনৃযায়ী, বিভিন্নভাবে প্রচারিত হন বলিয়াই, ধর্ম সনাতন হইলেও যে বহ ভাব ধারণ করেন, তাহাই যুগধর্ম নামে আখ্যাত | এই যুগধর্ম পুনরায় দুই ভাগে বিভন্ত ;_সকাম নিচ্কাম। দ্বার্থীসাদ্ধ এবং প্রাতদান- প্রত্যাশায় যাহা আচরিত হয়, তাহা সকাম, আর পুরস্কারের কামনা ব্যাতরেকে কেবল পরার্থে বা ভগবৎ-প্রীত্যর্থে যাহা অন:ষ্ঠিত হয়, তাহাকে নিম্কাম কহে। ফলতঃ পান্র অবদ্থা-ভেদে উভয়ই শ্রেয়”কর ; এবং যাঁহারা এই যুগধর্ম গুবর্তন করেন, তাঁহাদগকে খাঁষি, সিদ্ধপ্দরুষ অবতার বলা হয়। ধর্মলানি

কালবশে অধিকারী অভাবে ধর্মেরও গ্লানি সম্ভব হয়। ক্বার্থীপদ্ধির অনুসরণে বিভিন্ন সম্প্দ্রায়ভূন্ত মানব ইহ-সুখ সর্বন্দ্জ্ঞানে সত্য, ধর্ম, পরকাল, এমন কি, জগৎকতাঁ জগদীশ সম্বন্ধেও যখন সন্দিহান হয়, এবং ধর্মের ভাণ করিরা £তৃত্বলালসায় আপন অনুকূল মতকে শ্রেষ্ঠ বলিয়া প্লচার করে, এবং পরদ্পর-বিদ্বেষী হইয়া এক পক্ষ অপর পক্ষকে ছল বা বল দ্বারা পরাভব করিতে প্রয়াস পায়, তখনই ধর্ম গলানি চরম সশনায় উপনীত হয় উনাবংশ শতাব্দীতে এই ধর্মগলানি কেবল যে ভায়তেই ঘাঁটয়াছিল, এমত নহে, ভারতের সকল দেশেই হইয়াছিল। ইহার ফলে নান্ভকতারূপ কুঙ্ঝটিকা সমগ্র জগংকেই"সমাচ্ছন্ন করে সাচ্চদানন্দের ঘনর;প

জনকল্যাণকারী আপ্তভাবব,ঞরক এই ধর্মকে মলিনতা হইতে মুন্ত কারবার আঁভিপ্রায়ে শ্রীভগবান যুগে যুগে আপনাকে প্রকট করিয়া থাকেন, এবং যে জাতির কল্যাণকল্পে আ'বর্ভৃত হইতে হয়, সেই জাতির অনুরূপ দেহ আচরণ স্বীকার করা বিধেয় বোধে অসাম হইয়াও, করুণায় সসঈম হইয়া মানবকলেবর ধারণে জনসামাজে অবতীর্ণ হন। কারণ, সমজাতীয় বোধ না কাঁরূল কেহই তাঁহার প্রাতি আকৃষ্ট হইবে না, এবং আকৃষ্ট না হইলে তাঁহার সকরূণ ক্রিয়াকলাপও তাহাদের .কল্যাণকর হইবে না, বোধ হয়, এই কারণেই সচ্চিদানন্দ ঘনমার্ত-পারগ্রহ করেন। ধর্মপ্রাণ ভারত চিরাঁদনই ভগবদভাবে অনন্াণিত, তাই শ্রীভগবান ইহারই শুভার্থে একাধিকবার প্রকট হইয়াছেন ; সেই হেতু প্রাচীন ভারত পুণ্যভূমি নামে বিখ্যাত

আবিভাব-কামারপ;কুরে

তাই বুঝ 'বভিন্ন ধর্মমতকে সেই একেশ্বরেরই মহিমা-প্রচার বলিয়াই, সণ্মিলন- বাসনায় বিভু এবার পূর্ব পূর্ব যুগ-আচরিত বিভূতি পরিহারপূর্বক, এক অচিন্ত্য, আঁভনব সাম্যভাব অবল"্বনে, জনপূর্ণ স্থান উপেক্ষা করিয়া ইতিহাসের অপাঁরচিত ছ্থানে,

লাঁলামৃত-১

্রীশ্রীরামকফ্-লালামতে হুগলী, বর্ধমান মেদিনীপুর জেলার সম্মিলন-ক্ষেত্রে যেন দ্বিতাঁয় ভিবেণা-সঙ্গমে,

রাঢদেশস্থ একটি ক্ষুদ্র শান্তিপূর্ণ “কামারপুকুর' নামক পল্লাঁতে গোপনে আঁবিভূতি হইলেন

শুক্লা দ্বিতয়ায়

আবার মানবকে আলস্/-জড়িমা, এবং অজ্ঞান-অন্ধকার হইতে উদ্ধারকরণ অভিলাষে, জীবন উদ্যমপ্রদ বসন্ত-সমাগমে ফাল্গুন মাসে এবং নব ধর্মদানে দ্বিজত্বে উন্নাত কারবেন ভাবিয়া শুভা শংকা দ্বিতীয়ায় ভূমিষ্ঠ হইয়া বসুন্ধরাকে সনাথ করিলেন

দারিদ্র ্রাঙ্মণকুলে

অর্থই অনর্থের মূল, ইহাতে মানব-মান্তিৎ্ক বিকৃত হয় ;-বিশেষতঃ বর্তমান বিলাসতার যুগে বোধ হয়, এই করেণেই জগদীশ দারিদ্র/কে বরণ করিলেন, কারণ, দারিদ্র্য অপেক্ষা মানবের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাদাতা ভূমণ্ডলে আর দ্বিতীয় নাই। এই 'নামত্ত খাষ সাধককূল সকলেই দারদ্যের মযাঁদা কারয়াছেন। আবার প্রকৃত রান্গণ্যধর্ম প্রচারে জাতিকুল- নার্বশেষে সকলকেই ভগবৎ-সন্িধানে লইয়া যাইবেন ভাবিয়াই, সত্য ধর্মনিষ্ঠ, আত দাঁরদ্রু অথচ খাঁধককপ ব্রাহ্মণকুলে, ঈশ মহিমা-প্রকাশক ব্রাহ্গমুহূতে জন্মগ্রহণ করিলেন। পিতৃ-পারচয়

1পতার নাম শ্রীখদরাম চট্টোপাধ্যায় ; শান্ত স্বভাব হইলেও তপঃগ্রভাব জন্য গ্রামস্থ সকলে ইহাকে এতই শ্রদ্ধা কাঁরত যে, হীন স্নান বা ভ্রমণেচ্ছায় পজ্করিণী বা পথে গমন কাঁরলে, পাছে কোনো আপ্রয় আচরণ করা হয়, এই আশঙ্কায় সকলেই সসম্ভ্রমে সরিয়া যাইত। উচ্চ শাখা হইতে পুজ্পচয়নে অসমর্থ দোঁখয়া, কুলদেবতা শ্রীশীতলাদেবী বালকাবেশে বক্ষশাখা অবনামিত করিয়া দিতেন এতই সত)নিষ্ঠ ছিলেন যে, বিচারালয়ে যাইয়া জাঁমদারপক্ষে সাক্ষ্যদানে পাছে মিথ্যা বলা সম্ভব হয়, সেই আশঙ্কায়, পৈতৃক ভদ্রাসন সম্পান্ত পাঁরত্যাগ কাঁরয়া, কামারপুকুর গ্রামে এক বন্ধুপ্রদত্ত অল্প-গাঁরসর ভূমিতে কুটির নিম্ণি কাঁরয়া সানন্দে বসবাস করেন।

চক্রধারীর মায়ায় বিষধর ফণীর আবেম্টন হইতে ইন্টদেবকৃপায় রঘুবীর-লক্ষণয্ন্ত যে শালগ্রামশিলা উদ্ধার করেন, তাহারই নামোচ্চারণে অল্প পাঁরমাণ ক্ষেত্রে বীজ বপন করিলে, তাহা হইতে গুচুর ধান্য লাভ হইত-যদ্দহারা সপারবারে প্রাণধারণ আঁতথিসেবা সম্পন্ন হইত। আবার এতই শিবভন্ত 'ছিলেন যে, কাযোঁপলক্ষে গ্রামান্তর-গমনকালে দূরপথ যাইয়াও, নব বিজ্বদল দর্শনে উৎফ:ল্ল হইয়া সংগ্রহপূব গৃহে প্রত)াগমন করেন এবং তদ্দৰারা সেতুবন্ধ রামে*বর হইতে অ।নীত বাণলিঙ্গের অর্চনা করিয়া পূনরায় গন্তব্যস্থানে অগ্রসর হন।

মাত-পরিচয়

মাতার নাম শ্রীমতাঁ চন্দ্রাদেবী ; কোমলস্বভাব বশতঃ চন্দ্রের ন্যায় আনন্দদায়িনশ, এবং করুণা সরলতার মূর্তপ্রতীক ছিলেন। অতিশয় সরলা দেখিয়া প্রতিবোশনীরা আদর করিয়া তাঁহাকে পাগল বলিত। দিব্যচক্ষে এই দেবী নানা দেবদেবী দেখিতেন এবং তাঁহাঁদগকে যংকিৎ খাওয়াইবার আগ্রহও প্রকাশ কাঁরতেন।

শ্রীপ্রীরমকৃষ্-লীলামৃত

গদাধর

কেবলমান্র বিভূতি-প্রকাশে মানব-কল্যাণসাধন ফলপ্রদ হইবে না জানিয়া, গদাধারী নারায়ণ, চট্টোপাধ্যায় মহাশয়কে পিতুলোকের ম্যান্তকামনায় তাঁহার পাদপদ্মে পণ্ডদানে সমাগত দেখিয়া কুপাদেশ করেন যে, তানি তাঁহার পূত্ররূপে জন্মগ্রহণ করিবেন। এই হেতু গয়াধাম হইতে প্রত্যাগমনের পরে সন্তান জন্মিলে গদাধর নাম রাখা হয়।

বহুলোকাঁহত এবং বহুজনসৃখকজ্পে ঠাকুরের প.ণ্য আবিভবি অন[ধ্যান করিয়া ভন্ত- কবি গিরিশচন্দ্র মাহিয়াছেন-_

“দুখনন ব্রাক্ষণী-কোলে কে শুয়েছ আলো করে, কেরে ওরে 'দিগম্বর এসেছ কুঁটির-ঘরে মার মরি রুপ হোরি নয়ন ফিরাতে নার, হদয়সন্তাপহারী সাধ ধরি হৃদিপরে ভূতলে অতুল মাঁণ কে এলি রে যাদুমণি, তাঁপতা হোর অবনী এসেছ কি সকাতরে। ব/থতে কি দিতে দেখা গোপনে এসেছ একা, বদনে করুণা মাখা হাস কাঁদি কার তরে ।”

দ্বিতীয় অধ্যায়-_-অবতারতত্ত

ভগবান যাঁদ কৃপা কারয়া আত্মপারিচয় না করেন, অজ্ঞ মানব কিরূপে তাঁহার মাহমা- অবধারণে সমর্থ হইবে 2? তাই বোধ হয়, আশ্রতকে অনুকম্পা কাঁরয়া ঠাকুর একাঁদন কহেন, রাজা কিংবা জমিদার, রাজ্য বা জাঁমদারির বন্দোবস্ত করিতে যে প্রিয় ব্যান্তকে [বিশেষ ক্ষমতা 'িয়া পাঠান, তাহাকে রাজপ্রাতানাধ বা নায়েব কহে। প্রজাগণের নিকট সমূচিত সমান পাবার জন্য, তার সঙ্গে লোকজন রাজার মতো আড়বরও জোগায়ে দেন। না হলে প্রজারা 'ি করে তাঁকে মানবে ? কিন্ত প্রজাদের অবন্থা দেখবার ইচ্ছায় রাজা ব। জমিদার খন স্বয়ং আসেন, তখন আত গোপনে ; কোনো জাঁকজমক থাকে না; বরং 'তাঁন এসেছেন বলে জনরব হলেই সেখান হতে পালিয়ে যান।

অবতার-পুরুষ সেইরূপ ঈশ্বরের অংশ বা প্রাতিনীধ-দ্বরূপ-বিশেষ বিভূতি নিয়ে ধর্ম-সংস্থাপন করতে আসেন কিন্তু (আপন।কে দেখাইয়া ) এখানকে অর্ঘাৎ তানি যখন দবয়ং আসেন, তখন আত গোপনে, কোনো এম্বর্য (বিভূতি ) থাকে না, কেবল মাধূর্য। আবার দু-পচজন ভন্ত ভিন্ন সাধারণে জানাজানি হবার পূবেই অন্তধনি হতে বাসনা করেন। . এই হেতু এবার শ্রীরামকৃষ্ণরূপে শুভাগমনে" এম্বর্ষের. লেশমান্র নেই। কেবল মাধ্য'। শ্রদ্ধাবান পাঠক ইহাই অবধারণ কর।

(তৃতীয় অধ্যায়-_বাল্যলীল!

বাঁবধ উপচারযোগে অন্নাদি ভোজন এবং মূল্যবান বসন-ভূষণে 'অঙ্গশোভন-্পৃহা ভগবং- লাভের অন্তরায় বিয়া, পিতার অযাচিত বৃন্তলব্ধ শরীর-ধারণোপযোগণ গ্রাসাচ্ছাদনে পাঁরতৃপ্ত থাকিতেন ; এবং ধর্মলাভের অনুকূল" সুদৃঢ় দেহ শান্তিপূর্ণ চিন্তগঠন আঁভগ্রায়ে অবরোধশুন্য স্থানে আপন ভাবে ক্রীড়া করিতেন।

শীশ্রীরামকফ-লাঁলামৃত [বিদ্যাজ'ন

শবদ্যার্জন 'বনা ভবিষ্যতে আত্মোন্লীতি, সংসারোন্নাতি এবং সম্টিসংসার সমাজেরও উন্নীতি- সাধন করিতে পারিবেন না ভাবিয়া, শৃভদিনে 'বিদ্যারন্ত করাইয়া গদাধরকে পাঠশালায় পাঠানো হয়। কিন্তু অপূর্ব বালক 'বিদা-শিক্ষায় আস্থাপ্রকাশ না কাঁরয়া, পূর্স্মৃতি- বশতঃ বয়স/গণসহ মাঠে বা মাণিক রাজার আম্রকাননে যাইয়া পূর্গ অবতারগণের লীলা- অভিনয়ে আনন্দ বোধ কাঁরতেন। গয়াধামে শ্রীগদাধরের আদেশস্মরণে পতা কিছ. না বলিলেও অগ্রজেরা মধ্‌র তাড়না কাঁদিলে, মৃদু হাস্যে কহিতেন-এ বিদ্যাতে কি হয় ? চালকলা হয়, টাকা হয়, মান যশ হয়, কিন্তু ভগবান লাভ তো হয় না। সুতরাং এমন বিদ) শিখতে ইচ্ছা হয় না। সর্ববিদ]ার বীজ যাহার অন্তরে বিদ্মান, তাহার কি আর পুথগত বিদ্যায় রি হয় ?

কারণ, ভাঁবলেন-'বদ্যাভ্যাসে মনোযোগ কাঁরলে 'িদ)র কুহকে ঈশ্বরল।ভবূপ পরাবদ্যায় বাণ্টত হইতে হইবে আবার উত্তরকালে হয়তো লোকেও বালবে-গদাধর একজন মহাপশ্ডিত, অখণ্ড যান্তিতর্ক দ্বারা একটা নূতন মত প্রবর্তন করেছেন বোধ হয়, এই কারণেই বিদ্যাশিক্ষা করেন নই। তোতাপাখখীর মতো পূশথ না পাঁড়গ়া, সাধন-প্রভাবে শিক্ষার প্রতিপাদ্য ঈ*বরের সাক্ষাৎকার করিয়া, ভবিষ্যতে সকল অক্ষর অর্থাৎ শাস্তকে উদ্ভাঁসত কাঁরবেন, যদনশশীলনে লোকে স্ব স্ব ধর্মে নিষ্ঠাবান হইয়া ভগবদারাধনায় আত্মোৎসর্গ কাঁরবে ; হয়তো এই 'নামন্ই 'নরক্ষর হইলেন। কিংবা মাধূযমর বালকভাবের অপকর্ষ হয়, এই আশঙ্কায় বিদ্যাশিক্ষায় আস্থা করিলেন না।

নেধাশান্ত

দম্ট বা শ্রুত বিষয়ের তথ্য নিরাকরণের নাম মেধা জন্মবধিই ধী, স্মৃতি মেধা যাহার কবচস্বরূপ, কেবল আবশ্যক মতো বিকাশের অপেক্ষা, তিনি যে মেধাবী হইবেন, ইহা আর 'বাচত্র কি। সুতরাং অসাধারণ মেধাপ্রভারে আশ্চর্য বালক পাণ্ডতগণের শাস্রব্যাথ্যা, কথকতায় গীত পুরাণাঁদি, এবং যান্রা-পাঁচালিতে যে সমস্ত আভিনয় একবার দেখিতেন বা শৃাঁনতেন, সমুদরয়ই তাঁহার নির্মলচিন্তে চিরদিনের মতো অঙ্কিত হইয়া থাকিত। সুতরাং এই 'দিবয বালকই শাম্ত্রস্মত অদ্বিতীয় শ্রতধর

প্রকৃতিলীন আবার মহীয়সী প্রকৃতিদেবী যেন তাঁহার গুণময়ী ভাব মন্ুন-পর্বক এই শুদ্ধসত্ত বালককে প্রসব-_অর্থাৎ তাহাতে লীন অবস্থা হইতে সমুখিত কাঁয়া, তাঁহার অন্তাঁনাহত 'বজ্ঞানরাজ এতই যত্বে শিক্ষা দিয়াছলেন, যদ্দবারা মাঠ, ঘাট, প্র, পুগ্প, পশু, পক্ষী, *মশান, মান্দর এবং 'বাভন্ন মানব তাহাদের আচার-নিরীক্ষণে বোচন্রের মধ্যে একতা, অর্থাৎ সেই একে*বরের প্রকাশ দেখিয়া সর্বক্ষণ এক অব্যস্ত আনন্দ উপভোগ কাঁরিতেন।

প্রকৃতির শিক্ষাদান

সুতত্লাং মানবে না শিখাইলেও প্রকাতিদেবীর প্রেরণায় কলাবিদ) অর্থাৎ নৃত/গীঁত, চিন্রীলখন, প্রাতমা এবং মৃতিগঠনাদিতেও এমন পারদশর্শ হন যে, বিচক্ষণ শিল্পীরাও 'মস্টান্ন দানে প্রীত করিয়া স্ব স্ব শিল্পের ভ্রাট-বিচ্তি সংশোধন করাইয়া লইত। আবার একদিন গৃহমধ্যে জে/ঙ্ঠা ভগিনীকে স্বামীহজ্ডে হু'কা দিতে দেখিয়া নম্টামি ব্াদ্ধিতে তাঁহাদের “চিত্র লাখিয়া কতই না উল্লাপত হন।

শরীশ্রীরামকৃফ-লাঁলামৃত

অনুকরণ-শান্ত উর্বর-মান্তিক কখনও নিক্ষিয় থাকে না। ভালো হউক বা মন্দই হউক, কিছু না কিছু করিবার জন)ই ব্যগ্র। এই কারণে লোক-চরিত অবধারণ তাহাদের আচরণ অনকরণে এই কৌতুকাপ্রয় বালক অদ্বিতীয় ছিলেন তাই পল্লীত্র বিশেষ বিশেষ ব্যন্তির চলন, বলন ইত]দির এমন আভনগন করিতেন যে, যাহাদের অনুকরণ করিতেন, তাহারাও দেখিয়া আশ্চর্য হইত।

বহর;পাঁ কখনো তাহার অন্তঃপুরে পর-পুরূষ, এমন কি, বালকও প্রবেশ কারিতে পারে নাই বলিয়া পল্লশর কোনো একজনের বড়োই স্পর্ধা ছিল। তাই তাহার গব নাশ-মানসে বহুরুপী গদাধর একদিন সন্ধ্যাকালে রমণীর বেশে বাঁড়র কতাঁকে ভূলাইয়া, তাহার প্‌রমধ্যে প্রবেশ করিয়া, মহিলাদের সঙ্গে এরূপ আলাপ আচরণ করেন, যাহাতে তাহারাও তাঁহাকে পুরুষ বলিয়া বুঝিতে পারে নাই ; পারশেষে গৃহ হইতে আহ্বান শ.নিয়া যাচ্ছি গো-দাদা, বলিয়া উত্তর দিলে সকলেই অবাক হয়। করাও তাহার গব' খর্ব হওগায় লঙ্জা বোধ করেন।

গণতশস্তি গদাধরের যেমন মোহনীয় রূপ ছিল, কণ্ঠস্বরও তেমান বীণাঝওকারসম সূমি্ট ছিল। আবার ভাব-ভরে এমন গান করিতেন যে, সকলে শুনিয়া মেহিত হইত এজন্য গ্রতিবেশিনীরা মিষ্টান্ন-দানে পাঁরিতুষ্ট করিয়া ম্ব ্ব আলয়ে তাঁহাকে লইয়া যাইত এবং প্রাণভরে তাঁহার রূপ দেখিয়া গান শুনিয়া সংসারের জলা-যন্ত্রণা লাঘব কারত। ভূত-সনে আনন্দ

কেবল যে মাঠে গোঠে খেলা কাঁরয়া সন্তুষ্ট হইতেন, এমত নহে, কি জানি কি উদ্দেশ্যে এই নিভর্ঁক বালক, কখনো কখনো অন্ধকার রান্রে গ্রামের প্রান্তরে ব্‌ধূই মোড়লের *মশানে যাইয়া ভূতগণের আচরণ নিরীক্ষণ কাঁরতেন এবং কখনো কখনো মিষ্টান্ন দিয়া দেখতেন যে, পান্ন সমেত মিষ্টান্ন কেমন শ্‌ন্যপানে উঠিয়া যাইতেছে ভূতনাথ কি না, তাই ভূতসনে আনন্দ

শাস্্রমীমাংসা জীবন-রহস্য সমাধান করিতে যাহার আগমন, স্বভাবাসিদ্ধ প্রজ্ঞাবলে তান যে শান্ের জাঁটল তত্ত-মীমাংসা করিবেন, ইহাতে আশ্চর্য কি? কোনো এচ পর্বদনে লাহাবাব দের আলয়ে পণ্ডিতগণ সমাগত হন, এবং "শব বড়ো, না রাম বড়ো” বলিয়া এক প্রশ্ন উখাপন করেন। বহু বাদান;বাদে সিদ্ধান্ত হইল না দেখিয়া গদাধর বলেন-শিব বা রামকে আমরা কেহই দেখি নাই, শাচ্তে শুনিয়াছ মান্ন। যান যে মতের উপাসক, তান তাঁহার অভাম্টদেবকে শ্রেষ্ঠ বর্টীয়াই জানেন, এই কারণেই কেহ বকে বড়ো, কেহ রামকে বড়ো কাঁরয়া থাকেন। বালকের এই অদ্ভূত মীমাংসায় পশ্ডিতগণ সাতিগয় আনান্দত হইলেন এবং প্রাণ ভরিয়া আশীবদি করিলেন।

সমাধি [বষয়ে মনের সম/ক, আঁধগমনের নাম সমাধ। সোন্দষাপ্রয় এই দৈব” বালক মেঘের

শ্রীতীরামকৃষ-লীলামৃত

কোলে সৌদাননা, সান্ধ্-গগনে নানা বর্ণের সমাবেশ এবং নীল মেঘের পাশে শুভ্র বককুল দেখিয়া বিভোর হইতেন। একাদিন যান্রাতে শিবের অভিনয়-কালে আপনাকে শিব ভাবিয়া এতই বাহ)জ্জন-হারা হন যে, তাঁহার জীবন-আশঙকায় যান্রা ব্ধ করিয়া দেওয়া হয়। আবার রন্‌ রন: ভন- ভন: রবে অগণন মৌমাছি অভ্রান্তভাবে স্ব স্ব চকে প্রবেশ বাহর হইতেছে দেখিয়া আত্মহারা হইতেন।

শিক্ষা

গুরুরূপী গদাধর জ্ঞান দিলেন যে, তোতাপাখীর মতো পথ পাড়য়া গর্ব করা উচিত নয়। ভাষা উপরে ভায়া বেড়ায়, ভিতরে প্রবেশ করে না। আপন অন্তরে ভগবানকে উপলাব্ধ করিবার প্রয়াসই প্রকৃত শিক্ষা গুণ-সমাবেশ বিনা মহত্ব-লাভ হয় না। গদাধরে অনেক গুণ বিদ্যমান ছিল বলিয়াই তিনি মহতেরও মহৎ হৃইয়াছেন।

উপনয়ন

যজ্ঞসব্র-ধারণে ( বক্মবাচক ) গায়ন্রী (গীত হইয়া ভ্রাণ করেন ) দীক্ষা লইয়া ব্রাহ্মণ-তনয়ের গুরুগৃহে উপনীতের নাম উপনয়ন। উদ্দেশ্য বেদাধ্যয়ন, বাঁ ভিক্ষা গ্রুসেবা ইহাই সনাতন রাঁতি। অধুনা আভিজাত্যে উপনীত হওয়ায় উপনয়ন এবং যজ্ঞগৃহে যৌতুক লইয়া িতৃ-আলয়ে অবস্থানই বর্তমান প্রথা ব্রাহ্মণ-সন্তান গদাধর বক্গণ্যদেবের উপাসনায় আত্মোৎসর্গ কাঁরবেন, এই 'নামত্ত শৃভদিনে তাঁহাকে যজ্ঞসূত্র ধারণ করাইয়া গায়তরীমন্ত্রে দীক্ষা দেওয়া হয় এবং প্রচালত রাত অন সারে তাঁহাকেও ভিক্ষা লইতে হয়। বরহ্মচারীর ব্রাহ্মণের নিকট ভিক্ষা-গ্রহণই বাধ; কিন্তু কি জান কি আভিপ্রায়ে এই পুরাতন রীতি লঞ্ঘন কাঁরয়া গদাধর ধনণ কামারণীর হস্তে প্রথমেই ভিক্ষা গ্রহণ করিলেন

[ভক্ষা-গ্রহণ

শাচ্ত্-বচন-পাঁবন্র আহারে সত্শুদ্ধি এবং পাঁরগ্রহে দাতার সন্তা গ্রহণ হয়। এজন্য যাহার তাহার বা আচারুন্রষ্ট শ্রদ্ধাহীন ঝ/গুর দান গ্রহণ আবিধেয়। কিন্তু লোভবশতঃ বা হঠকারতা-প্রযুস্ত ব্যতিৰম কারলে পতিত অর্থৎ ভগবদভাব হইতে বিচ্যুত হইতে হয়। বোধ হয়, এই কারণে দ্বজাতিগণ অন্ন দান গ্রহণে সতত সতক্ণ 'িচারবান ভান্তি- শাস্তমতে হরিভপ্তিপরায়ণ চণ্ডালও দ্বিজশ্টষ্ঠে, স.তরাং তাহার প্রেমপূর্ণ দান গ্রহণে প্রত্যবায় হয় না। শদ্রা হইলেও ধন? কৃষ্ভন্তি-পরায়ণা, তাঁহার প্রতি স্নেহপর্ণো দেখিয়া গদাধর আহাকে মাতৃ-সম্বোধন কাঁরতেন, এবং তাহার আগুহে, অগ্রজের সম্মাতিতে তাহারই নিকট ভিক্ষা গ্রহণ করেন। ইহাতে দেখাইলেন যে, আচার বা নিয়ম অপেক্ষা ভান্তই শ্েষ্ঠ, এবং ঈদ্‌শ ভক্তের দান-গ্রহণ দোষাবহ নহে তষ্ময়তা

এখন হইতে নবীন ব্রহ্মচারীর সাধনার সময় আসল, ন্িকালীন সন্ধ্যা ( জগদণীশ-মহিমা ) বন্দনা, গায়ন্রী-আরাধনা, ব্রহ্মভাব-ব/ঞক বাণলিঙ্গ শালগ্রাম অর্চনা এবং কুলদেবতা শ্রীশীতলাদেবীর পূজায় সানন্দে আত্মনিয়োগ করিলেন পূজাকালে এতই তন্ময় হইতেন যে, সময়ের বিচার থাঁকত না, বা যথ।সময়ে দেবতাকে অন্নভোগ দিতে হইবে, তাহারও চিন্তা আসিত না। ইহাতে শিখাইলেন যে, তন্ময়তাবিহণন উপাসনা বিড়দ্বনামান্। বাল্যলীলা অনুশীলনে অনুমান হয়, যেন বিভূ আপনাকে প্রকট করিয়াছেন, এবং

শ্রীপ্রীরামকৃষ-লশলামৃত

শৈশব-আলোকে গদাধরও জানিয়াছিলেন-তিাঁনি কে বা কি আভিপ্রায়ে তাঁহার আবিভবি !

চতুর্থ অধ্যায় কলিকাতায় আগমন ঘটনাচক্র এত দিন যেন আলালের ঘরের দুলাল ছিলেন; কিন্তু চিরদিন কখনো সমান না যায়। পতৃবিয়োগে অবস্থাবিপর্যয়ে অগ্রজের সঙ্গে কালকাতায় আসিতে হয়-উদ্দেশ্য মাতৃসেব৷ |

অথবা ঠাকুর গান কাঁরতেন-ছেলেবেলা ধৃূলিখেলা, প্রাণ স'পোছি এই বেলা বন্ধু তুমি আমার পরাণের পরাণ ।, তাই বুঝি সেই বশ্ধুর সন্ধানে, আজ তাঁহাকে স্নেহময়ণ

জননণ, পৃণ্য জন্মভূমি এবং প্রিয় বয়স্যগণকে পাঁরত্যাগ কাঁরতে হইল যাঁদও স্থান পল্লাগ্রাম অপেক্ষা কলরবপন্ণ” তথাপি ইহাই ত'হার ভাবী লীলাক্ষেত্রে পাঁরণত হইয়াছে দক্ষিণেশবর

অগ্রজ রামকুমারের সহিত যখন তাঁহার ঝামাপুকুরের টোলে অবহ্থান করেন, তখন জানবাজারের খ্যাতনামা রাণশ রাসমাঁণ (ঠাকুর বলেন, জগদম্বার শাপভ্রস্টা সখা ) জগন্মাতার আদেশে ৮কাশীধাম-গমন-সঙংকজ্প পাঁরত্যাগ করিয়া, তাঁহারই আদ্যামূর্তি শ্রীকালনপ্রতিমা স্থাপন জন্য, কলিকাতর সন্িকট ভাগীরথাঁর পূবরতটে (দক্ষিণ শহর ) দক্ষিণেশবর নামক স্থানে বিস্তীর্ণ ভূমি অর্জন করিয়া, তদুপাঁর ভগবতাঁ, দ্বাদশ শিবলিঙ্গ রাধাশ]ামের মান্দির নিমাণ করান। আবার ব্লতচাঁরণী হইয়া সংদক্ষ ভাম্কর দ্বারা মহামায়ার মূর্তি গঠন করাইয়া, ভান্তিমান অর্চক অভাবে বদ্ধবৃত কারয়া রাখেন। ভগবতাঁর আবিভণব

ঠাকুর বলেন, প্রাতিমা মাঁদ মোহনীয় হয়, কর্মক্তরি চিন্ত তপ্গত হয় এবং পূজক ভা্তমান হয়, তাহা হইলে পরম-দেবতার আ'বিভাঁবের বিলঘ্ব থাকে না। ভাকন্তমান অর্চকের অভাব হইলেও রাণীর অনুরাগে ভক্তিপ্রিয়া ভগবতী স্বতঃই চৈতন্যা হইয়া তাঁহাকে স্বপ্নাদেশ দেন-আর কত দিন আমাকে আবরণ কাঁরয়া রাখাব 2 ঘমন্তি হইয়া আমি যে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিতেছি তৎপর হও, উপযুন্ত অচ'ক মাঁলবে।

অচ্কের আগমন

ইতন্ততঃ অন্বেষণের পর জনৈক কর্মচারী রাণীকে বলেন-তাঁহার দেশস্থ আত নিষ্ঠাবান সুপশ্ডিত রামকুমার ভট্টাচার্য ঝামাপুকুরে এক চতুষ্পাঠীতে অধ্যাপন৷ কাঁরয়া অযাচিত বাত্ততে জীঁবকা-ঘাপন করেন তাঁহাকে কোনোমতে প্রসন্ন করিতে পারলে জগদম্বার পূজার উত্তম ব্যবস্থা হয়। ইহা অবগত হইয়া এবং" ভগবতীর আদেশ স্মরণ কাঁরিয়া, রাণী সাগ্রহে কহেন-আপাঁন যাঁদ কোনো উপায়ে তাহাকে ঝ।টিতে আনতে পারেন, তাহা হইলে বিশেষ উপকৃত হই। প্রভৃকে পাঁরতুণ্ট করা সেবকের কর্তব্য বোধে, কর্মচারী ভট্টাচার্য মহাশয়কে অনুনয়-বিনয় কাঁরয়া রাণীর নিকট আনয়ন করেন।

রাণণর নিবেদন ধাঁধতুল/ পিতৃ-পাঁরচয় শ্রবণ এবং তাঁহার তপঃপূর্ণ রূপ দর্শনে রাণী ভট্াচার্য মহাশয়কে [নবেদন করেন_কাণী যব।র মানসে গন্গীতে একশত কিস্তি দ্রঝ/-সন্তারে সথ্জিত করি ;

শ্রীত্রীরামকৃষ্-লশলামৃত

কিন্তু জগন্মাতার আদেশে তাঁহার শ্রীম্াত-স্থাপনে কৃতসঙ্কত্প হইয়া প্রাতমা মান্দির নিমাণ করাইয়াছি। প্রতিষ্ঠার পৰে" শ্রীমতি দর্শনে পাছে কেহ শ্রদ্ধা প্রদর্শন না করে, এই আশঙকায় আবৃত কাঁরয়া রাখিয়াছি। বল্জবরণে ঘমন্তি হইয়া মহামায়া স্বপ্নাদেশ করিয়াছেন-“আর কত দিন এমন অবস্থায় থাকিব? আগামী জৈষ্ঠের শুভ প্যণিমায়, আমারই ষোড়শ যাত্রার ভবমোচনা পুণ/দিনে বা আমারই নারায়ণরূপের স্নানযান্লা-বাসরে* আমাকে শ্রীমন্দিরে স্থাপন কর।' কিন্তু ভর্তিমান অক অভাবে নিদারুণ সন্তাপ ভোগ করিতেছি

যাহার হৃদয়ে ভগবানের অধিষ্ঠান, সেই বণশ্রেম্ঠ ভূদেব, ত/াগ তপস্যাই যাহার গৌরব, আমি, কি অর্থে বা কোন্‌ সাহসে, সেই বামনরূপণ ব্রার্মণকে অর্থলোভে প্রলোভিত কাঁরতে পারি ? তবে জগদম্বার কৃপায় এইটুকু বাঁঝয়াছি যে, একমান্র ভাঞ্তিতেই ভূদেব প্রীত বশীভূত

প্রথনা

ব্রাহ্মণ ভিন্ন অন) জাতির পৌরোহত্যে পাছে সংব্রাঙ্গণের অগৌরব হয়, এবং সদব্রাক্মণগণও দেবালয়ে শ্রীকালীমাতার প্রসাদ-গ্রহণে অস্বীকার করেন, ইহাই ভাবিয়া দেবীর শ্রীমতি মান্দর, এবং সেবার 'নামস্ত সম্পান্ত সময়ই গুরুদেবের নামে অপ কাঁরয়াছি। পান্ডবের প্রতি প্রসন্ন হইয়া ব্যাসদেব যেমন তাঁদের যন্তে ব্রতী হইয়াছিলেন, প্রণাম-পুরঃসর প্রার্থনা কাঁর-আপাঁনও কৃপা কাঁরয়া এই দেবীধজ্ঞে ব্রতী হইয়া ব্রাহ্মণগৌরব রক্ষা করুন, এবং আমাকেও চাঁরতার্থ করুন।

পুজাভার গ্রহণ

ভন্তাধান ব্রাহ্মণ রাণীর ভক্তিতে মুগ্ধ হইয়া মঙ্গলময় মাধবকে স্মরণ করতঃ কালীমাতার প্‌জাকাষে সম্মত হইলেন রাণণও তাঁহার কৃপালাভে কৃতার্থ হইয়া নিবেদন করিলেন_ জগন্মতার প্রতিমা যতাঁদন শ্রীমন্দিরে বিরাজ কাঁরবেন, ততদিন আপাঁন এবং আপনার বংশধরগণকে মহাময়়ার পূজাভার গ্রহণ করিতে হইবে

ব্রাহ্দণের অবনতি অতীত গে ধর্মরাজের রাজসয়র-যজ্ঞে তপোদীপ্ত ব্রাহ্মণগণের পদ ধৌত করিয়া, পাণ্ডব- সখা দ্বারকানাথ ব্রাহ্মণ-মযদিা বর্ধন করিয়া, আপনাকে গৌরবান্বিত মনে কাঁরয়াছিলেন ইদানীং সেরুপ ব্রাহ্মণ সহসা পারদন্ট হয় না। শাম্নুচচয়ি জগংবিদ্মৃতি, ত্যাগের পরাকা্ঠায় দাঁরদ্র্যেও আনন্দ, এবং কঠোর তপস্যায় পরব্রহ্মে অবস্থানে যে ব্রাহ্মণ বিরাটপুরুষের মুখদ্বরূপ অর্থাৎ সর্ববর্ণের শ্রেন্ত শ্রদ্ধাভাজন হইয়াছিলেন, কালমাহাত্তেয এখন সেই ব্রাহ্মণ (হে'য়ালীছন্দে ) “ভোঁ ভোঁ করে ভোমরা নয়, গলায় পইতে বামুন নয়। ব্রহ্মজ্ঞনহাঁন হইয়াও অর্থলূলসায় সন্তাপহারকের স্থানে শিষ্যের বিভ্তাপহারক হইয়াছে বালয়াই, ঠাকুর ব্যঙ্গ করিয়া এই শ্রেণীর ব্রাহ্মণকে “কানে ফ:” উপাধি দিয়াছেন আবার অন্পকালমধ্যে বহু যজমানের গৃহদেবতার যথাবিধ পূজা না কাঁরয়া দুই চাঁরাঁট পুষ্পদানে কোনোমতে নৈবেদ) আত্মসাৎ করায় ঠাকুর বলেন, ইহারা 'শাঁখে ফু”

* বামকে*্বর তন্দে উল্লেখ জৈ;ষ্ঠ মহাঙ্নানযান্রা অধ্ববাচাদনব্রনম: আষাঢে রথযা্রা হব দিগাঁদন-€ ১০ দিন ) বাাঁপনী পরা

সম্প্রদায়। পাঁরশেষে আচারঘ্রষ্ট মূর্খ হইয়া পাচকের বান্ত গ্রহণ করায় ঠাকুর ইহাদের নাম “চোঙায় ফ:” রাখিয়াছেন। সংযম চতুষ্পাঠি ছাড়িয়া অগ্রজ দক্ষিণে*বরে আসলেন এবং কলঁমাতার পূজাকাে' রত হইলেন বটে, ঠাকুর কিন্তু ঝামাপুকুরেই থাকিলেন, তবে প্রতিষ্ঠার দিন সমারোহ দেখিবার ইচ্ছায় দেবালয়ে আগমন করেন, কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে, দিন তথায় জলগ্রহণ না করিয়া সম্ধ্যাকালে দ্বস্থানে প্রস্থান করেন অগ্রজ ভগবতীর প্‌জাভার গ্রহণ কাঁরয়াছেন, সুতরাং তৎকর্তৃক আঁচত দেবতার প্রসাদগ্রহণ তাঁহার পক্ষে দোষাবহ নহে, কিন্তু নিজে যখন কোনোরূপ পূজা বা সেবাকার্যে নিরত হন নাই, তখন কিরূপে তথাকার নিবোদত দ্ব্য গ্রহণ কাঁরতে পারেন ? ইহা যুক্তিসঙ্গত। অথবা আমাদিগকে লোভ-সন্বরণ শিখাইবার আঁভপ্রায়ে সংযমী গদাধর লোভনীয় পক্কান মিষ্টান্ন গ্রহণে স্পৃহা করেন নাই। তবে দ্নেহবশে অগ্রজকে দেখিতে আসলে, আমান্ন লইয়া গঙ্গাতরে পাক কাঁরয়া খাইতেন, ইহাতে কাহারও অনুরোধ মানিতেন না। প্‌জকের বাসনা

একে তো বিদ্বান, তাহাতে পিতৃপরম্পরায় ভঞ্তিমান, সুতরাং মহামায়ার অর্চনে এতই তন্ময় হইতেন যে, ইচ্ছা থাকলেও, পুষ্পমাল/দতে দেবী-অঙ্গ সুশোভন কাঁরয়া আনন্দ কারিতে পারতেন না। কানষ্ঠ ভ্রাতা যেমন শিম্পী, তেমনই ভক্তিমান, তান যদ জগদম্বার বেশ-ভূষায় সহায়তা করেন তো বড়ই ভালো হয়, কিন্তু রাণর আগ্রহ বিনা তাঁহাকে কিরূপে নিযুন্ত কারতে পারেন ?

রাণীর সাধ

যাহার শ্রীপদে আত্মসমর্পণ করিয়াছেন, সেই ইন্টদেবীঁকে প.্পালঙ্কারে সব্জিত দেখিবার জন্য রাণীর অন্তর নিরন্তর ব্যাকুল থাকিত। ভান্তিপূর্ণ পূজায় যখন অর্চকের সময় চলিয়া যাইত, তখন কি কাঁরয়া তিনি পূষ্পবেশ কারিতে পারেন ? এই হেতু আগ্রহ করেন_ তানি যাঁদ তাঁহার মতো কোনো ভভ্তিমান ব্যন্তিকে কার্যে আনয়ন করেন। ভ্রাতার পরিচয়

ভট্ট/চাষ' মহাশয় বলেন-তাহার কনিষ্ঠ যেমন ভদ্তিমান, তেমনই িশ্পো, কিন্তু আতি ঈবাধীনচেতা আপন বৃদ্ধিতে যাহা ভালো বুঝে, তাহাই করে, তাই আমি তাহার আচরণের প্রতিবাদ কার না। তবে আমাকে দেখিতে আসলে আপনারা যাঁদ তাহাকে বিশেষ অনুরোধ করেন, হয়তো আপনাঁদিগকে উপেক্ষা না-ও কাঁরতে পারে।

দেবালয়ে আগমন এক দিন দেবালয়ে আ'সয়া যখন ভগবতীঁর পূজা দেখিতেছেন, এমত কালে রাণদ তাঁহার জামাতা পষ্পাঞ্জাল দিবার আভিগ্রায়ে মণ্দিরে সমাগত হন এবং গদাধরের দিব্য রূপলাবণ্য গান্ভীর্য' দেখিয়া তাঁহার প্রতি আকৃষ্ট হন। তাই মধুর সম্ভাষণে প্রার্থনা জানান, যাঁদ 'তাঁন দয়া কাঁরয়া দেবীর পষ্প-সঞ্জার ভার গ্রহণ করেন।

দেবার প.্পবেশ

যাহা হউক, এখন কি প্রেরণায় বা ইচ্ছাময়ীর ইচ্ছায় ঠাকুর ভগবতার পু্পবেশ কারিতে

১০ শ্রীপ্রীরামকৃষ্-লীলামৃত

সম্মত হইলেন, এবং দেবালয়ে অবস্থান কাঁরয়া তাঁহার প্রসাদ গ্রহণ করলেন শ্রীঅঙ্গের কোন্‌ অংশে কোন্‌ প্‌ম্পপন্ন বা মাল্য যোজনা কাঁরলে রূপ-শোভার উৎকর্ষ হয়, ভন্তিভরে তাহাই করিতেন। ভুবনমোহিনীর নিত্য-নবসাজ দোঁথিয়া রাণী তাঁহার জামাতা বড়ই আনন্দ লাভ করেন; এবং এই কারণেই ঠাকুরের প্রাত দিন দিন তাঁহাদের প্রীতি বাঁধত হয়।

পঞ্চম অধ্যায় ভগবতর প;জাগ্রহণ

লোকদৃণ্টিতে দুভগিয, কিন্তু ভগবদবিধানে তাহার সৌভাগ্য-উষার বিকাশে, অথবা কালবশে অগ্রজের দেহান্তর ঘাঁঈল রাণীর আগ্রহে তাহাকে দেবীর অচ হইতে হইল প্রদ্ধা তপস)ার অভাবে, ঠাকুর বলেন, কলিষুগে বোদিকমন্ত্র নিজাঁব হইবে জানিয়া করুণাময় সদাশিব দ্বতভাবের আবেম্টনে অদ্বৈত-্রাপ্তর জন্য যে তন্ত্রমত প্রবর্তন কাঁরয়াছেন, উহার শরণ বিনা ব্রন্মশাঁণ্ডর পূজায় আঁধকার হয় না। তাই বিশ্বসৃম্টির মূল আ'নর্ব চনীয়া মহামায়া-আরাধনায়, তাঁহার কৃপালাভ করিব ভাবিয়া কোনো এক মন্ত্রচেতন) প্‌রুষের নিকট দেবীমন্বে দীক্ষিত হন। "শাঁখে ফ:” অথাৎ দেবলব্রাঙ্ষণবৃত্ত আদরণণয়া না হইলেও ভাঁবতব্যবশে এখন তাহাকে তাহাতেই ব্রতী হইতে হইল।

উচ্চ নীচ সকল কমই শ্রীভগবানের পূজা, কেবল সদসৎং আঁভসন্ধিতে হেয় বা প্রেয় হয়। দেবাঙ্গস্পর্শন পুজনই যে পঃম-দেবতার দর্শনলাভের উপায়, আমাদিগকে ইহাই বুঝাইবার উদ্দেশে, সানন্দে দেবল-্রান্মণবৃত্ত অবলঘবন করিলেন অথবা ঈশ্বরী জ্ঞনে অনুরাগের পূজায়, মূন্ময়শতে চিন্ময়ীর সাক্ষাৎকার হয়, ভাহাও দেখাইবার জন্য দেবল- ব্রা্ষণবৃত্ত অবলম্বন কাঁরলেন।

আমাদের প্‌জা

ভূতে দেবতার পূজা কাঁরতে পারে না, আবার দেবভাবে ভাবত না হইলে মানবও দেবতার পূজা কাঁরতে সমর্থ হয় না। জাবমান্রই বিরাট পুরুষের অঙ্গ--আমরা কয়জন ধারণা কাঁরতে পার ? আবার স্বীয় দেহভাণ্ডে অন্তয্মী ঈশ্বর যে বিদ্যমান ইহাও কি আমরা শচন্তা কার? সৃতরাং আমাদের 'বাধাবহীন পূজা, ভুতের পুজার মতো কস্মিনকালে ফলপ্রদ হয় না।

ঠাকুরের প;জা

এই হেতু প্রকৃত পুজা কারবার মানসে, ভূতশশদ্ধ করিবার সময় ঠাকুর অনুভব করিতেন-_ যেন তান বাঁহুময় প্রাচীর-বোষ্টত হইয়া বাহ্যবিঘ7 হইতে রক্ষিত। আবার উপলব্ধি কাঁরতেন- সৃষ্টির মূলকারণ পরমাপ্রকৃতি সংস্কার সহ জীবকে ধারণ কাঁরয়া, সংপ্ত-প্রায় মূলাধারপদ্মে বিরাজ কাঁরতেছেন। প্রাণায়াম-যোগে জাগ্রতা হইয়া ক্রমে যেযষেচক্রবা ভূমিতে ডী্থতা হইতেছেন, তখনই তন্তৎস্থানে উজহল দশদল, দ্বাদশদল, যোড়শদল প্রভৃতি প্রস্ফুটিত কমল তাঁহার 'বিগ্রাম জন/ অপেক্ষা কারতেছে ; এবং এঁ সকল কমলদলে বিদ্যার বীজদ্বরূপ বর্ণমালা জবলন্তভাবে প্রকাশ পাইতেছে। এইরুপে যখন বোধ করিতেন-_ কুণ্ডাঁলনীণাঙ্ড তাঁড়ন্গাঁততে শ্বিদলপদ্ম ভেদ কাঁরয়া সহঙ্্ারে মাহমাপূূর্ণ পরমাঁশবে

শ্রীত্রীরামকৃফ-লীলামৃত ১১

মিলিত হইতেছেন, অমনই তাঁহার বাহ্যজ্জন লুপ্ত হইয়া, জ্ঞান, জ্ঞেয় জ্ঞাতা একাকার হইয়া যাইত পজা-প্রশংসা

ঠাকুর বলেন, “দেউড়ীতে দরওয়ানদের মার-ধর খেয়ে কোনোমতে রাজার দর্শন পেয়ে, পূর্ণকাম হলে যেমন কাঙাল আর বাইরে আসতে চায় না, তেমাঁনই সুকাতিবান জীব প্রাণপাত-চেম্টায় কিংবা ভগবং-কৃপায় কৃণ্ডলিনী শান্তকে একবার সহম্রারে উপনীত করতে পারলে তার জন্মমরণ-সংস্কার নিবৃত্ত পায় এবং সে আর প্রত্যাগত হতে চায় না বা পারেও না। কিন্তু কোটি-কোট জীবের মধ্যে কদাচিৎ কারও ঈদশ সৌভাগ্য হয় কি না সন্দেহ। তবে যাঁর হয়, তিনি জীবে*বর 1,

প্রকৃত পঃজা

এইরূপে তিনি ব্রহ্গশান্ত-প্রতীক শ্রীকালশমাতার প্রকৃত পূজা কাঁরয়াছিলেন বাঁলয়াই অজ্পকালমধ্যে মূন্ময়ীতে চিন্ময়ীর দর্শন পান। কখনো বা উচ্ছবাসভরে গান কাঁরয়া ভাবিতেন, যেন ভগবতন তাঁহার গীতে প্রাঁতা হইয়াছেন এঁকান্তিক অনুরাগে আকাঙ্ক্ষা হইত, যেন সতত দেবীর চরণপ্রান্তে অবস্থান কদ্নে। কিন্তু আপ্তবং সেবাবিধানে অন্ন- ভোগের পর মহামায়ার আরাম কল্পনায় মন্দির-্বার বদ্ধ হইত

দেবালয় সুখহণন |

দেবী আনন্দদায়িন হইলেও, 'বাভল্ন আশয়ের লেোকপূণ দেবালয় তাঁহার পক্ষে সখকর ছিল না, সেই জন্য সাধ্যান্‌সারে তাহাদের সঙ্গত্যাগবাসনায় দেবালয়ের প্রান্তে কোনো নিভৃত স্থানে যাইয়া নারায়ণীর ধ্যানে উপবিষ্ট থাঁকতেন। অপরাহুকালে জগদম্বার নদ্রাভঙ্গ-প্রচেম্টায় নহবৎখানায় গীতবাদ্য আরন্ত হইলে মান্দরে আসিতেন এবং যেন তীহার জাগৃতি হইয়াছে ভাবিয়া মধুর গানে মন্দির-দবার খুলিতেন।

দশ ন-বাসনা দিবা গত এবং যাঁমিন আগতপ্রায় সময়ের নাম সন্ধ্যা | এই সন্ধিক্ষণে প্রকৃতির পরিবর্তন পর্যবেক্ষণে ভাবুক-অন্তরে এক 'দিব্য ভাবের উদয় হয় সতরাং এই সময় বিষয়-চিন্তা পাঁরহার পূর্বক ঈশ্বর-চন্তায় সমাহিত হওয়া কতব্য। তই ব্রহ্নিষ্ঠ গদাধর সাম্ধ্য- উপাসনা মানসে নীরদবরণন শ্যামার চরণপ্রান্তে ধ্যানাবল বন করিতেন। উপাসনান্তে নিরাময়দায়নীর নিরাজন কাঁরয়া প্রত,ক্ষ বাসনায় কতমতো প্রার্থনা জানাইতেন। আবার সান্ধ্য-ভোগের পর নিদ্রাক্পনায় ঘতক্ষণ শয়ন প্রদান না হইত, ততক্ষণ যেন আত্মহারা হইয়া শ্লীমৃতি-দর্শনে বিভোর থাকিতেন

ব্যাকুলতা

পূজা দ্বিবিধ ;- বৈধী রাগানুগা। শাম্তমতো মন্তর-স্তোন্রাদ সহ ধার-শ্থির-ভাবে যে অর্চনা, তাহা বৈধী ; আর প্রাণের আবেগে মন্ব্রতন্্র ভূলিয়া একান্ত অনুরাগে যাহা আচরিত হয়, তাহাকে রাগানূগা পূজা কহে। এই রাগানুগা পূজায় মূন্ময়ণতে চিন্ময়শর দর্শন আকাঙ্ক্ষায় গদাধর ব্যাকুলভাবে বালিতেন” “মা, তুমি যখন রামপ্রসাদ, কমলাকান্তকে দেখা 'দিয়াছ, তখন আমাকেও দেখা দিয়া কৃতার্থ কর £ তোমার পুণ/দর্শন বিনা আমার জীবন বিড়'্বনা বোধ হইতেছে,

১২ শ্রীত্রীরামকফ-লাঁলামৃত

বিলাপ

ভগবং-তেজে উদ্ভাসিত মার্তপ্ড, ময়খমালায় দিক রঞ্জিত করিয়া সৃষ্টিকতরি দর্শন- আবেগে যখন পশ্চিমাকাশে ঢলিয়া পাঁড়তেন, অন.রাগমন্ত গদাধর মনোবেদনায় সরোদনে বাঁলতেন, “মা, দিন চলিয়া গেল, দিনমাণিও তোমাতে মিশিলেন, কিন্তু দুভগ্যি জন্য আমি আজও তোমার দর্শন পেলাম না, আমার জীবনাব্বও তোমার প্রাতিবিম্বে মগ্ন হয় না। তুমি তো ভালো জানো মা, যে তোমা ভিন্ন জগতে আমার কেহই নাই। আর জগতের কোনো পদার্থেও আমার বাসনা নাই। আবার কি কারলে তোমাকে পাব, তাহাও জানি না, তুমি নিজ মহিমায় দর্শন 'দিয়া আমায় চরিতার্থ কর ।,

মৃন্ময়শতে চিম্ময়ীর দশ'ন

বালকের ন্যায় রোদন ধ্যাকুল-প্রার্থন।য় সফলকাম না হওয়ায়, বিষম বিষাদে কিছুদিন, [কিন্তু তাঁহার পক্ষে যুণপ্রায়, গত হইল এষ দন ভবতারিণীর প্‌জাকালে এমন এক ভাবের উদয় হয়, যখন তিনি উন্মন্তভাবে ভবানীকে কহেন, 'যাদ তুমি এখনই আমাকে দর্শন না দাও, তাহা হইলে তোমারই হাতের আঁস লইয়া তোমারই শ্রীপদে এই দ.ঃসহ প্রাণকে বাল দিব'-বাঁলয়া যেমন আসি-গ্রহণে উদ;ত, অমনই দিব)চক্ষে দেখেন যে, দেবী মূন্ময়ীতেই চিন্ময়ীরূপে তাহার নিকট আত্মপ্রকাশ করিয়াছেন। মহামায়ার বিশ্বব/াপাী চৈতন্য এবং তন্মধ্যে জ্যোতির্ময়, ঘনশ)ামা, প্রফলল্লবদনা রূপ দৌখিয়া ভাবে এতই 'বিভোব হন যে, তখন তাঁহার জগৎ বা নিজদেহ বোধ কিছুই ছিল না; ছিল কেবল তাহার অন্তব হি ঈশ্বরার তুরীয় ঘন-চৈতন্য রূপ |

ভাবের প;জা

মূন্ময়ীতে চিন্ময়ীর দর্শনাবধি বৈধকর্মে বিরাগ হইলেও, তিনি তাহার হৃদয়-শো৬না শঠামার অর্টনায় স্যধ্যমত বিরত হন নাই। তবে পূজা আর পুব মতো নহে, এখন ভাবের পূজা দেখতেন, ব্রহ্মময়শ সব ঘটে বিরাজমান, তাই একাঁদন মান্দর মধ্যে এক বিড়ালী দৌখয়া জীবন্ত ভগবতা জ্ঞানে তাহাকে কালীমাতার নৈবেদ্য হইতে মিষ্টান্ন দান করেন। আবার দোখতেন, নিবেদন কারবার অগ্রেই ভগবতী, প্রাতিমা হইতে আত্মপ্রকাশ কাঁরয়া নৈবেদ্য ভক্ষণ কাঁরতেছেন ; ইহাতে বালকের মতো কোনেোদন বাঁলতেন, খাবি তো জান, তা মন্ত্রটা বলবার অপেক্ষা করলি না ? আরও দোঁখতেন, ভগবত বালিকাবেশে নৃত্য কাঁরতে কাঁরতে সোপান বাহিয়া মাঁণ্দরের চূড়'য় উঠিতেছেন দ্রুতপদে অবতরণ কাঁরতেছেন। গান শুনাইবার সময় দেখতেন, মহামায়া পযঙ্কে শয়ন কাঁরয়া তাঁহাকে ব্জন তাঁহার পাশ্বে শয়ন কাঁরতে বাঁলতেছেন। এইজন) এক এক দিন যেন বাধ্য হইয়া তাহাকে ভবানীর নিকট শয়ন কাঁরতে হইত পাঠক বালবেন-__ অসম্ভব ।__সত্য একের বহু হওয়া যদি সম্ভব হয়, জলের যুগপৎ জমাট তরল হওয়া যাঁদ সম্ভব হয়, ভগবানের বিগ্রহ-ধারণ যাঁদ সম্ভব হয়, তখন ইহাই বা সম্ভব হইবে না কেন 2 দেব চৈতন্যা

ঈ*বর যাহার প্রাত অনুকূল, মানবের সাধ; কি যে তাহার প্রাতিকূল হয় ? পূজাকালে ভাবভরে যেরূপ আচরণ কাঁরতেন, দেঝালরবাসীদের আঁভমত না হইলেও কেহ

্রী্রীরামকফ-লীলামৃত ১৫ প্রতিবাদ করিতে সাহস পাইত না, যেহেতু রাণী তাঁহার জামাতা তাঁহার প্রতি শ্রদ্ধাবান ছিলেন, এবং উল্লাস কাঁরয়া বাঁলতেন, “এত কালের পর এই মহাপুরুষের পূজায় ভবতারিণী চেতন্যা হইয়াছেন গুরুরূপীঁ গদাধর জ্ঞান দিলেন-একান্তিক

অন:রাগই ঈশবরলাভের প্রকৃত .উপায়, পাঁরপাশ্বিক অবস্থা প্রতিকল হইলেও অন্তরায় হয় না।

অদশণনে রোদন

এইরূপে ঈশ্বরীর ঘন-চৈতন/ রূপ অর্‌প দর্শনে অহানশি আপনভাবে অবস্থান করিতেন। ভাব-তরঙ্গে ভাসমান-জন) 'দিব্জেযাতিতে উদ্ভাঁসত হইলেও যত্রাভাবে তাঁহার প্রাকৃত তন ক্ষীণ হইতেছে দোঁখিয়া বহুজন-কল্যাণ-কামনায় ভবানী উহা রক্ষণ, বা তাহাকে অবকাশ দিবার বাসনায় তাঁহার অন্তরালে লুক্কায়িত হইতেন। অথবা বিচ্ছেদীবহনে মিলন-সুখ উপাদেয় হয় না ভাঁবয়া, আঁধকতর সুখী কারিবার জন্; তহার দৃষ্টির বহিভূতি হইলে, উচ্চ রবে এতই রোদন কাঁরিতেন, যাহাতে দশ 'কগণ তহার শুভেচ্ছা না করিয়া নিরন্ত হইতে পাঁরিত না। এই সময় সমবয়”ক ভাগিনেয় হদয়নাথ তাঁহার সেবা কারতেন ভবতারিণনর অর্চনা কাঁরিতেন।

উপদেবতার আবেশ

ভগ্গবদ-ভাবের আবেশে কখনো উন্মপ্ত এবং কখনো বা বালকের মতো আচরণ দেখিয়া মথরানাথ তাঁহাকে অতিশয় ভণ্ডি-শ্রদ্ধা কারতেন। কিন্তু ভাগ্যাভাবে যে সকল ব্যাস্তর বদ্ধি বিকৃত, তাহারাই জজ্পনা করিত, হয়তো অনাচার-প্রযুন্ত উপদেবতার আবেশ হইয়াছে, অথবা জাগ্রত দেবতার 'বাধবৎ অর্চনে অবহেলা করায়, তাঁহারই কোপে উন্মাদ হইয়াছেন

(দব্যোন্মাদ

যাহা হউক, তাঁহাদের ছোট ভ্রাচার্যকে নিরাময় কারবার আভিপ্রায়ে মথুরানাথ 'চিকিৎসার টি করেন নাই, কিন্তু প্রকৃত রোগ নিরাকরণে অপারগ হওয়ায় চিকিৎসকগণের উধধাদ প্রয়োগ সমস্তই বিফল হয়। পরিশেষে পূর্ববঙ্গনিবাসপী একজন বিজ্ঞ কবিরাজ বলেন-সাধারণ লোকের ন/ায় এই মহাপুরুষের বায়রোগ নহে; ইহা দিব্যোন্মাদ অবস্থা, কচি কোনো ভাগ্যবানের সম্ভব হয়, সুতরাং আমরা ইহার প্রাতকার কারতে অপারগ

ষষ্ঠ অধ্যায়

€দশে গমন

ঠিত্ত-উত্তেজক ক্ষেন্রে দীর্ঘকাল অবস্থান কাঁরলে, ্বতঃই শরীর মনের অবসাদ হইয়া থাকে সুতরাং যে স্থান এরুপ, তথা হইতে কিছদাদন অন্তরে থাকিলে উপকার সম্ভব, ইহা ভাবিয়া এবং মাতার অনুরোধ জানিয়া গদাধরকে এখন তাহার জন্মস্থানে পাঠানো হইল তথায় মাতৃস্নেহ, উপয্স্ত পথ্য, সেব।,"বাল্যলীলাভূমি বয়সাগণ পাইয়া ক্রমশঃ দেহ পৃন্ট চিত্ত প্রসন্ন হইতে থাকিল। অন্তরে যে অনুরাগ উদ্দাঁপিত হইয়াছে, কিছনদনের জন্য তাহা নিাপিতপ্রায় দেখাইল। তবে কি জানি, বৈরাগ্য-ৰাতাসে তাহা যে

১৪ শ্রীরীরামকৃফ-লীলামৃতি

আবার কখন জ্লয়া উঠবে, তাহার শঙ্কাও রাহল। সে ঘাহা হউক, পুরকে উ্পাস্থৃত সস্থ প্রফুল্ল দেখিয়া জননী মনে করিলেন, যাঁদ এই সময় কোনোমতে শ্রী-যু্ত কাঁরতে পারি অর্থাৎ 'িবাহ দিতে পাঁর, নববধূ পাইয়া মনের গাতি সংসার-পানে ফিরিতেও পারে। সেই জন/ বিবাহের প্রস্তাব কারলেন এবং গদাধরও সম্মত হইলেন

[বিবাহ

দারপারিগ্রহ ভগবান-লাভের অন্তরায় হয় না, ইহাই আমাদিগকে দেখাইতে, অথবা সনাতন মতের আশ্রম-মযাদা রক্ষা কাঁরতে গদাধর ভাষা গ্রহণ করিলেন। কোনো কারণ বশত; একদিন কহেন-দশবিধ সংস্কার সপন্ন না হইলে মনোবান্ত পূর্ণতা প্রাপ্ত হয় না এবং পূর্ণতা লাভ না করলে, প্রকৃষ্টর্পে ধর্মপ্র্ব তক আচার্য হওয়া যায় না। ইহাই বা চিন্তা কারিয়া বিবাহ করেন:

এই বাহ আমাদের উদ্বন্ধনের মতো বিভ্রাটজনক নহে ইহা জগতের মাতা-ীপতা গোৌরাী-শংকরের মিলন। কাব্-নাটক আলোচনায় ভোগসুখ-লালসায় স্ীঘৃত, সুতরাং উদ্ভ্রান্ত হইয়া আমরা যেমন উৎস যাই, তাঁদ্বপরীতে ঠাকুর পত্নীকে শ্রীভগবতাঁর মাঁতীবিগ্রহ জ্ঞনে ভন্তিপূজা কারিতেন। বলিতেন, দেবী মহাশান্তদ্বরূপিণী বাগদেবতা সরুবতী-অংশসন্তবা। রূপ-্দ্শনে মে।হিত হইয়া হাঁনচেতা ব্যন্তি পাছে অপরাধশ্রস্ত হয়, তাই এবার বাহ/রুপ ল.কাইয়া অন্তরে দিব্যরপের সঙ্জা করিয়াছেন। নিত্য- সাবন্ধবশতঃ আমার শরীর পালনে যুগে যুগে আগমন কাঁরয়া থাকেন। দেবী আমা অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ; উ'হারই বুদ্ধির আগ্রয়ে পাগল আমি কা ক্ষম হইয়াছ।

সপুম অধ্যায় দক্ষিণেশ্বরে প্রত্যাগমন

জীবদায়ে যান দায়ী, তান ফি আর নিশ্চিন্ত হইতে পারেন? সুতরাং কিছ-দিন পরে দেবালয়ে আসলেন এবং জগন্মাতার পূজায়ও মনোনিবেশ করিলেন ঠাকুর বলেন-_ উকিল, ডান্তার সাধু দেখিলে যেমন বিষয়-ব্যবহার, রোগ-প্রাতিকার এবং ভগবদ-ীবিষয়ের উদ্দীপন হয়, তেমনই ত'হার আঁচত শ্্রীপ্রীকালীমাতার দর্শনে পৃজনে অনুরাগের এমন প্রবল ঝাঁটকা উাঁথত হয়, যাহাতে আত্ম-বিমৃত হইয়া আভনব ভাবে সাধনায় নিম'ন হইলেন রাণী ভাঁবলেন-যখন তাঁহার ইন্টদেবী তাঁহাকে অবকাশ দিয়াছেন, তখন তান কোন: সাহসে আবার তাঁহাকে কর্মশৃঙ্খলে বদ্ধ কাঁরতে পারেন? তাই হৃদয়নাথের উপর পঠ্াভার পুনরায় আঁপত হইল

সাধণ

মূন্ময়ীতে চিন্ময়ী দর্শনে যিনি আত্মতৃপ্ত, তাঁহার আবার সাধনার প্রয়োজন কি? তবে বোধ হয়, লোকশিক্ষা শাস্ত্র উদ্ভাষণকজ্পে সাধনার অবতারণা তাই বাঁঝ ঠাকুর ভাবিলেন- অহঙ্কারই যত অনর্থের মূল, ইহাকে নিধন এবং পথের কণ্টক-লঙ্জা, ঘৃণা, ভয়কে পাঁরহার কাঁরতে না পারলে ভগবান-লাভ একপ্রকার অসম্ভব এই হেতু দেবালয়ের এক নিভৃত প্রদেশে নগন হইয়া ঈশ্বরীর ধ্যানে নিমগ্ন হইতেন। জাতিকুলমান-ত্যাগ বাসনায়, ্রাহ্মগণত্ব-পাঁরচায়ক যজ্্সতত্রাটকে ভূমিতে রক্ষা কাঁরতেন, আবার ঘৃণা অহঙ্কার

শ্রশ্রীরামকৃফ-লীলামৃত ১৫

নাশ-বাসনায় দেবালয়ের লোকদিগের শোচস্থান (পাছে কেহ বাধা দেয়) সকলের অজ্ঞাতসারে মার্জনা করিতেন। দিবা বা নিশায় ঈশ-দর্শন আবেশ আসলে সকল সম্পদের আস্পদ প্রাণকেও তুচ্ছ করিয়া বিপদসঞ্কুল বনে গিয়া ধ্যান করিতেন প্রাণের ভয় যাঁহার নাই, তাঁহার কি আর ল্মেকনিন্দার ভয় সম্ভব ?

মায়া

জাতিকুলমান, লঙ্জা, ঘৃণা, ভয় অহঙ্কার-বিজয়ে সিদ্ধকাম হইয়া মনে কারলেন-যে মায়াপ্রভাবে জগৎ-সংসার আচ্ছন্ন, তার আঁধকার হইতে কি প্রকারে মুক্ত হওয়া যায় ? মায়া কি? ইন্দ্রজালে খাঁন সকলকেই মোহিত করিয়াছেন, তাঁনিই মায়া অর্থাৎ খধিরা ইহাকে অঘটন-ঘটনকা'রিণী বলিয়াছেন, অমিতাভ ইহাকে মার বাঁলয়াছেন এবং ঈশামাঁস ইহাকে শয়তান আখ্যা দিয়াছেন

কামিনণ-কাণ্চন

যাহার সবই নূতন, সেই ঠাকুর কামিনীকাণ্চন বলিয়া মায়ার আর একি নূতন নামকরণ

করিলেন। কারণ, মানবমান্রেই সুখ-লালসায় কামিনী-কাণ্চনে মোহিত